১০ নভেম্বর দুপুর থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয়া তিথি, চলবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত। তাহলে ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেওয়ার সঠিক দিন কোনটি? জেনে নিন ভাইফোঁটা ২০২৬-এর তারিখ, শুভক্ষণ এবং উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ রীতিনীতি।
Bhai Phonta 2026: ১০ নভেম্বর নাকি ১১ নভেম্বর—কবে ভাইফোঁটা? ২০২৬ সালের ভাইফোঁটার দিনক্ষণ নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা প্রতিবছর নিয়ম মেনে ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেন, তাঁদের কাছে সঠিক তারিখ এবং শুভ সময় জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এবছর কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথি শুরু হচ্ছে একদিন এবং শেষ হচ্ছে পরের দিন। আর সেই কারণেই ক্যালেন্ডার দেখে অনেকেই দ্বিধায় পড়েছেন।
ভাইফোঁটা বাঙালির অন্যতম আবেগঘন পারিবারিক উৎসব। এই দিন দিদি কিংবা বোন ভাইয়ের কপালে দই, চন্দন, কাজল অথবা ঘিয়ের ফোঁটা দিয়ে তাঁর দীর্ঘ জীবন, সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেন। উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভাইবোনের ভালোবাসা, পারিবারিক সম্পর্ক এবং বহুদিনের প্রচলিত রীতিনীতি।
কিন্তু এবার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ১০ নভেম্বর নাকি ১১ নভেম্বর ভাইফোঁটা পালন করবেন? প্রদত্ত পঞ্জিকার হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভাইফোঁটা পালনের নির্ধারিত দিন ১১ নভেম্বর, বুধবার। ওই দিন দুপুরে রয়েছে ফোঁটা দেওয়ার বিশেষ শুভক্ষণ।
ভাইফোঁটা ২০২৬ কবে? একনজরে তারিখ ও সময়
- ভাইফোঁটার তারিখ: ১১ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার।
- দ্বিতীয়া তিথি শুরু: ১০ নভেম্বর, মঙ্গলবার, দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিট।
- দ্বিতীয়া তিথি শেষ: ১১ নভেম্বর, বুধবার, দুপুর ২টো ১১ মিনিট।
- ফোঁটা দেওয়ার শুভ সময়: ১১ নভেম্বর, দুপুর ১২টা ২৭ মিনিট থেকে দুপুর ২টো ১১ মিনিট।
কেন ১০ ও ১১ নভেম্বর নিয়ে এত বিভ্রান্তি?
ভাইফোঁটার তারিখ নিয়ে ধন্দের প্রধান কারণ হল দ্বিতীয়া তিথির সময়সূচি। সাধারণ ক্যালেন্ডারে একটি দিন মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী মধ্যরাতে শেষ হয়। কিন্তু ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে তিথির সময় সবসময় সেই হিসাবের সঙ্গে মেলে না।
এবারও তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয়া তিথি। অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালের দিকে এই তিথি শুরু হচ্ছে না। আবার মঙ্গলবার রাত শেষ হলেও দ্বিতীয়ার সময় শেষ হচ্ছে না।
১১ নভেম্বর বুধবার দুপুর ২টো ১১ মিনিট পর্যন্ত দ্বিতীয়ার সময় থাকবে। ফলে একই তিথি দুটি আলাদা ইংরেজি ক্যালেন্ডারের দিনের মধ্যে পড়েছে।
এখান থেকেই অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তিথি যেদিন শুরু হচ্ছে সেদিনই কি ফোঁটা দিতে হবে? নাকি পরের দিন উৎসব পালন করা উচিত?
প্রদত্ত সংবাদে উল্লিখিত পঞ্জিকার হিসাব অনুযায়ী, ১১ নভেম্বর বুধবারকে ভাইফোঁটা পালনের উপযুক্ত দিন হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এই হিসাব অনুসরণ করলে ১০ নভেম্বরের পরিবর্তে ১১ নভেম্বরেই ভাইফোঁটার আয়োজন করতে হবে।
ভাইফোঁটার দ্বিতীয়া তিথি কখন শুরু এবং কখন শেষ?
হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে ভাইফোঁটা পালনের রীতি রয়েছে। এই তিথির সঙ্গে উৎসবের ধর্মীয় গুরুত্ব গভীরভাবে সম্পর্কিত।
২০২৬ সালে দ্বিতীয়ার সময়সূচি অনুযায়ী, ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে তিথি শুরু হবে এবং ১১ নভেম্বর বুধবার দুপুর ২টো ১১ মিনিটে শেষ হবে।
এই সময়সূচি থেকে স্পষ্ট, দ্বিতীয়ার পুরো সময় কোনও একটি ক্যালেন্ডার দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। মঙ্গলবার দুপুর থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত তিথি চলবে।
তাই কেবল তিথির শুরুর তারিখ দেখে ভাইফোঁটার দিন নির্ধারণ করলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। প্রদত্ত পঞ্জিকা অনুসারে উৎসব পালনের জন্য ১১ নভেম্বরের কথাই বলা হয়েছে।
১১ নভেম্বর ভাইফোঁটা দেওয়ার সবচেয়ে শুভ সময় কখন?
ভাইফোঁটার দিন জানার পাশাপাশি ফোঁটা দেওয়ার শুভক্ষণ নিয়েও অনেকের আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে যেসব পরিবার পঞ্জিকার নির্ধারিত সময় অনুসরণ করে উৎসব পালন করে, তাদের কাছে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রদত্ত সংবাদ অনুযায়ী, ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টা ২৭ মিনিট থেকে দুপুর ২টো ১১ মিনিট পর্যন্ত ভাইফোঁটা দেওয়ার শুভ সময় বা অপরাহ্ণকাল হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেওয়াকে অত্যন্ত মঙ্গলজনক বলে বিশ্বাস করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, শুভক্ষণে ফোঁটা দিলে ভাইয়ের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে।
উল্লিখিত শুভ সময়ের মোট দৈর্ঘ্য ১ ঘণ্টা ৪৪ মিনিট। তাই যাঁরা এই নির্দিষ্ট সময় অনুসরণ করতে চান, তাঁরা সেই অনুযায়ী নিজেদের পারিবারিক আয়োজন সাজাতে পারেন।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। প্রদত্ত সময়সূচিতে শুভক্ষণের শুরু দুপুর ১২টা ২৭ মিনিট বলা হলেও দ্বিতীয়ার তিথি আগের দিন থেকেই চলতে থাকবে। অর্থাৎ ১১ নভেম্বরের শুভক্ষণ শুরুর সময় দ্বিতীয়ার তিথি ইতিমধ্যেই উপস্থিত থাকবে।

ভাইফোঁটায় দই, চন্দন, কাজল বা ঘিয়ের ফোঁটা দেওয়ার রীতি
ভাইফোঁটার অন্যতম পরিচিত আচার হল ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেওয়া। এই ছোট্ট রীতির মধ্যেই প্রকাশ পায় দিদি বা বোনের আন্তরিক ভালোবাসা এবং ভাইয়ের মঙ্গলকামনা।
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, ভাইয়ের কপালে দই, চন্দন, কাজল অথবা ঘিয়ের ফোঁটা দেওয়া হয়।
ফোঁটা দেওয়ার সময় দিদি বা বোন ভাইয়ের দীর্ঘ জীবন কামনা করেন। এই প্রার্থনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ভাইয়ের সুখ, শান্তি ও সুস্থ থাকার আকাঙ্ক্ষা।
এখানে ফোঁটা কেবল একটি আনুষ্ঠানিক চিহ্ন নয়। বরং এটি ভাইবোনের সম্পর্কের আবেগপূর্ণ প্রকাশ। প্রতিবছর এই আচার পালনের মধ্য দিয়ে পারিবারিক সম্পর্কের আন্তরিকতা নতুনভাবে অনুভব করা যায়।
ভাইফোঁটার আয়োজন যত বড় বা ছোটই হোক না কেন, এই মঙ্গলকামনাই উৎসবের মূল আকর্ষণ।
ভাইফোঁটার সঙ্গে যমরাজের নাম কেন জড়িয়ে রয়েছে?
ভাইফোঁটার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা। বাঙালির প্রচলিত উৎসবের রীতিতে এই দিন যমরাজকে স্মরণ করার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ভাইয়ের মঙ্গলকামনায় যমের দুয়ারে কাঁটা দেওয়ার একটি পরিচিত প্রথা রয়েছে। এর মাধ্যমে ভাইকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করার এবং তাঁর দীর্ঘ জীবন কামনা করার ভাবনা প্রকাশ পায়।
এই রীতি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও পারিবারিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখানে দিদি বা বোনের প্রার্থনার কেন্দ্রে থাকেন তাঁর ভাই।
ফোঁটা দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রার্থনা একটি দৃশ্যমান রূপ পায়। ভাইয়ের সুস্থতা, সুখ এবং সমৃদ্ধির কামনায় পরিবারের সদস্যরা এই উৎসবে অংশ নেন।
তাই ভাইফোঁটা শুধুমাত্র আনন্দের দিন নয়, বরং ভালোবাসা এবং মঙ্গলকামনারও একটি বিশেষ উপলক্ষ।
ভাইফোঁটায় মিষ্টিমুখ ও উপহার বিনিময়ের গুরুত্ব
ভাইফোঁটা মানেই শুধু কপালে ফোঁটা দেওয়া নয়। এই উৎসবের সঙ্গে মিষ্টিমুখ এবং উপহার আদানপ্রদানের দীর্ঘদিনের প্রচলন রয়েছে।
ফোঁটার অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর মিষ্টিমুখ উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি ভাই ও বোনের মধ্যে উপহার বিনিময়ও এই বিশেষ দিনের অন্যতম আকর্ষণ।
উপহার যত দামি বা সাধারণই হোক না কেন, তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আন্তরিকতা। এই আদানপ্রদানের মাধ্যমে ভাইবোনের সম্পর্কের উষ্ণতা প্রকাশ পায়।
বছরের অন্যান্য দিনের ব্যস্ততা থেকে বেরিয়ে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার একটি বিশেষ সুযোগও তৈরি করে ভাইফোঁটা।
ভাইয়ের জন্য বোনের ভালোবাসা, বোনের জন্য ভাইয়ের স্নেহ এবং পরিবারের সকলের উপস্থিতি মিলিয়ে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়।
১১ নভেম্বর ভাইফোঁটার আয়োজন কীভাবে পরিকল্পনা করবেন?
যাঁরা ২০২৬ সালের ভাইফোঁটা পঞ্জিকার নির্দিষ্ট শুভক্ষণ অনুসারে পালন করতে চান, তাঁদের জন্য আগেভাগে সময়সূচি দেখে রাখা সুবিধাজনক।
যেহেতু প্রদত্ত হিসাব অনুযায়ী দুপুর ১২টা ২৭ মিনিট থেকে ২টো ১১ মিনিট পর্যন্ত শুভ সময় রয়েছে, তাই ওই সময়ের মধ্যে ফোঁটা দেওয়ার আয়োজন করা যেতে পারে।
দই, চন্দন, কাজল কিংবা ঘিয়ের মতো ফোঁটার উপকরণ আগে থেকে প্রস্তুত রাখলে অনুষ্ঠানের সময় তাড়াহুড়ো কম হবে।
পাশাপাশি মিষ্টিমুখ এবং উপহার বিনিময়ের ব্যবস্থাও পরিবারের সুবিধামতো সাজানো যেতে পারে।
তবে এই উৎসবের আনন্দ কেবল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভাইবোনের একে অপরের প্রতি ভালোবাসা এবং আন্তরিকতাই এই দিনের প্রধান বিষয়।
১০ নভেম্বর কি ভাইফোঁটা দেওয়া যাবে?
এই প্রশ্নটি অনেকের মনেই আসতে পারে। কারণ ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিট থেকেই দ্বিতীয়ার তিথি শুরু হচ্ছে।
তবে প্রদত্ত সংবাদে যে পঞ্জিকার হিসাব উল্লেখ করা হয়েছে, তাতে ১১ নভেম্বর বুধবারকে ভাইফোঁটা পালনের নির্ধারিত দিন বলা হয়েছে।
অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট হিসাব অনুযায়ী উৎসবের মূল আয়োজন ১১ নভেম্বর রাখার কথাই জানানো হয়েছে।
যেসব পরিবার নিজেদের প্রচলিত পঞ্জিকা অনুসরণ করে, তারা সেই নির্দিষ্ট পঞ্জিকার বিধানও মিলিয়ে নিতে পারে। কারণ ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে পরিবারের প্রচলিত রীতিনীতিরও গুরুত্ব রয়েছে।

ভাইফোঁটা ২০২৬: সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে ভাইফোঁটা কবে?
উত্তর: প্রদত্ত পঞ্জিকার হিসাব অনুযায়ী, ১১ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার ভাইফোঁটা পালিত হবে।
প্রশ্ন: দ্বিতীয়ার তিথি কখন শুরু হবে?
উত্তর: ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে দ্বিতীয়া তিথি শুরু হবে।
প্রশ্ন: দ্বিতীয়ার তিথি কখন শেষ হবে?
উত্তর: ১১ নভেম্বর বুধবার দুপুর ২টো ১১ মিনিটে দ্বিতীয়ার তিথি শেষ হবে।
প্রশ্ন: ভাইফোঁটা দেওয়ার শুভ সময় কখন?
উত্তর: ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টা ২৭ মিনিট থেকে দুপুর ২টো ১১ মিনিট পর্যন্ত শুভক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রশ্ন: ভাইফোঁটায় কী দিয়ে ফোঁটা দেওয়া হয়?
উত্তর: প্রচলিত রীতি অনুযায়ী দই, চন্দন, কাজল অথবা ঘিয়ের ফোঁটা দেওয়া হয়।
প্রশ্ন: ভাইফোঁটার মূল তাৎপর্য কী?
উত্তর: ভাইয়ের দীর্ঘায়ু, মঙ্গল, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা এবং ভাইবোনের ভালোবাসার সম্পর্ক উদ্যাপন করাই এই উৎসবের মূল তাৎপর্য।
ভাইবোনের ভালোবাসার উৎসবে থাকুক আনন্দ
ভাইফোঁটা এমন একটি উৎসব, যেখানে ধর্মীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি পারিবারিক আবেগও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
একটি ছোট্ট ফোঁটার মধ্য দিয়ে দিদি কিংবা বোন তাঁর ভাইয়ের জন্য দীর্ঘ জীবন এবং সুখের প্রার্থনা করেন। অন্যদিকে মিষ্টিমুখ ও উপহার বিনিময়ের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ আরও গভীর হয়ে ওঠে।
২০২৬ সালে এই বিশেষ দিনের তারিখ নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তার উত্তর প্রদত্ত পঞ্জিকার হিসাবে স্পষ্ট—১১ নভেম্বর বুধবার ভাইফোঁটা পালনের নির্ধারিত দিন। আর ওই দিন দুপুর ১২টা ২৭ মিনিট থেকে ২টো ১১ মিনিট পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে শুভ সময়।
তাই যাঁরা এই সময়সূচি মেনে উৎসব পালন করতে চান, তাঁরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারেন।
ভাইফোঁটার এই বিশেষ দিনে ভাইবোনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক, প্রত্যেক পরিবারে ছড়িয়ে পড়ুক সুখ, শান্তি এবং আনন্দ।